প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১১:০৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ১, ২০২৫, ১২:১৯ অপরাহ্ণ
আখাউড়ায় মা-বাবার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ইসলামী পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করলেন ছেলে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার অন্যতম বৃহৎ দ্বীনি শিক্ষা প্ৰতিষ্ঠান জামিয়া মাজহারুল হক দারুল উলুম দেবগ্রাম মাদ্রাসায় সুফিয়া-জিয়াউল ইসলামী পাঠাগারের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে এক দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলায় নবনির্মিত পাঠাগার উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি আসয়াদুজ্জামান। অনুষ্ঠানের যৌথ সঞ্চালনা করেন অত্র জামিয়ার সিনিয়র শিক্ষক সুহাইল আহমেদ ধরমন্ডলী ও আল আরাফাহ্ ইসলামি ব্যাংক কর্মকর্তা সুমন আহাম্মদ খান৷
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাঠাগারের পৃষ্ঠপোষক ও জে.কে. শিপিং সি এন্ড এফ-এর স্বত্বাধিকারী, টনকি আদর্শ গ্রামের কৃতি সন্তান আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল কাইয়ুম ভূঁইয়া।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মুফতি হাবিবুল্লাহ ওসমানী, মাওলানা মুহিউদ্দিন সিদ্দিকী, মাওলানা কাজী মাইনুদ্দিন, মাওলানা আবু আব্দুল্লাহ, মাওলানা আব্দুল বাছির আল মাহদী, মুরাদ মাহমুদুর রহমান আশিস, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, বাবুল মিয়া সরদার, প্রভাষক জাবেদ আহমেদ খান, হিরন মোল্লা, কামাল উদ্দিন সহ আরো অ নেকে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল কাইয়ুম ভূঁইয়াকে মাদ্রাসা, মসজিদ ও ঈদগাহ পরিচালনা কমিটি এবং দেবগ্রাম জামশেদ খান ফাউন্ডেশন-এর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে জামিয়ার পক্ষ থেকে তাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
বক্তারা বলেন,একটি ইসলামী পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মসহ সব বয়সের মানুষ ধর্মীয় ও প্রাত্যহিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে। তারা আলহাজ্ব কাইয়ুম ভূঁইয়াকে এই মহৎ উদ্যোগের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল কাইয়ুম ভূঁইয়া আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল প্রিয় মা-বাবার নামে একটি ইসলামী পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা। আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।
একটি দ্বীনি মাদ্রাসায় পাঠাগার নির্মাণ করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। সবাই আমার প্রিয় মা-বাবার জন্য দোয়া করবেন।” তিনি আরও জানান, এই পাঠাগার প্রতিষ্ঠার পেছনে তার সহধর্মিণীরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও সহযোগিতা রয়েছে।
সুফিয়া-জিয়াউল ইসলামী পাঠাগার ভবিষ্যতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে ধর্মীয় ও নৈতিক জ্ঞানচর্চার এক আলোকবর্তিকা হয়ে উঠবে— এমনটাই আশা করছেন সবাই।
সাদ্দাম হোসেন আখাউড়া প্রতিনিধি,কসবা টিভি নিউজ ডেস্ক:
Copyright © 2026 KasbaTV. All rights reserved.