ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নে নেমে এসেছে গভীর শোক। এলাকার উন্নয়নবান্ধব নেতা, সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম জিতু আর নেই—(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে তাঁর মৃত্যুসংবাদ, মুহূর্তেই শোকাবহ পরিবেশ তৈরি হয় পুরো ইউনিয়নজুড়ে।

মানুষের সুখ-দুঃখে যে নেতাকে প্রতিনিয়ত পাওয়া যেত, সেই জিতু আজ আর নেই—এমানুষের মর্মভেদী প্রতিক্রিয়া ফুটে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিটি পোস্টে। তরুণদের কাছে তিনি ছিলেন অনুপ্রেরণা, বৃদ্ধদের কাছে নির্ভরতার জায়গা, আর সাধারণ মানুষের কাছে ছিলেন সহজ-সরল, হাসিমুখের নেতা।
![]()
কুটি ইউনিয়নের গ্রামবাংলার রাস্তা ঘাট নির্মাণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা, দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানো—এমন বহু উন্নয়ন আর মানবিক কাজের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে ছিল তাঁর নাম। মানুষ বলে, “জিতুর হাত সবসময় খোলা থাকত মানুষের জন্য।” এ কারণেই তাঁর প্রস্থান শুধু একটি পরিবারের ক্ষতি নয়, বরং পুরো ইউনিয়নের একটি বড় শূন্যতা।তিনি কুটি ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত সবাই তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। অনেকে লিখেছেন— “এক যুগের উন্নয়ন যাত্রার নেপথ্য কারিগরকে হারালাম। কুটি ইউনিয়ন আজ তার অভিভাবক হারিয়েছে।”

জিতুর নেতৃত্ব ছিল সংঘাতহীন, উন্নয়নমুখী ও মানবিক। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করা নেতারা আজ সমাজে দুষ্প্রাপ্য—এমনটাই বলছেন স্থানীয়রা। তাঁর মৃত্যু কুটি ইউনিয়নের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

আল্লাহ তায়ালা মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তৌফিক দিন—এই প্রার্থনাই সকলের।
তানভীর আলম ঢালী,কসবা টিভি নিউজ ডেস্ক: