ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও মাদক দমন কার্যক্রমে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল কাদেরের নাম এখন স্থানীয়ভাবে প্রশংসার সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি যে বলিষ্ঠ অবস্থান নিয়েছেন, তাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে এবং মাদক ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে এলাকা ছেড়েও পালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা-ওসি আব্দুল কাদের স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন—“মাদকের সঙ্গে কোনো আপোষ নেই।”

এই কঠোর ঘোষণা শুধু কথার মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়; বাস্তবে তার নেতৃত্বে কসবা থানা এলাকায় চলমান মাদকবিরোধী অভিযান ধারাবাহিকভাবে সফলতা পাচ্ছে। প্রতিটি অভিযানে তিনি নিজে মাঠে নেমে কাজ করছেন, যা জনগণের মধ্যে পুলিশি কার্যক্রমের প্রতি নতুন আস্থা তৈরি করেছে।

সাধারণ মানুষের আস্থা ও সন্তুষ্টি কসবা বাজার থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল—সবখানেই মানুষের একটাই কথা,“ওসি কাদের আসার পর মাদকের দৌরাত্ম্য কমেছে।”

মানুষ এখন নির্ভয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তথ্য দিচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, তিনি রাত-দিন সমান তৎপরতা দেখিয়ে এলাকা ঘুরে দেখেন, অভিযোগ শোনেন এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন।

সচেতন মহলের মূল্যায়ন সচেতন নাগরিক সমাজ বলছে— “ওসি কাদের শুধু অভিযানে নয়, প্রতিরোধমূলক কাজেও নজর দিয়েছেন। স্কুল-কলেজে সচেতনতামূলক কার্যক্রম, সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয়—সব মিলিয়ে কসবা এখন মাদকমুক্তির পথে এগোচ্ছে।”

মাদকমুক্ত কসবার লক্ষ্যে সামনের পথ - ওসি আব্দুল কাদেরের নেতৃত্বে কসবা থানা ইতোমধ্যে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে একটি মডেল হিসেবে আলোচনায় এসেছে। তার কর্মতৎপরতা, দৃঢ় অবস্থান ও মানবিক আচরণ এলাকাবাসীর মনে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি নতুন আস্থা তৈরি করেছে।

জনগণের প্রত্যাশা—এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে কসবা হবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মধ্যে মাদকমুক্তির অন্যতম সফল উপজেলা।
স্টাফ রিপোর্টার, কসবা টিভি নিউজ ডেস্ক: