কসবায় চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় প্রযুক্তির ছোঁয়ায় সাফল্য: ওসি নাজনীন সুলতানার প্রশংসায় সচেতন মহল

ফারজানা রশীদ ঢালী কসবা টিভি নিউজ ডেস্ক:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার শিমরাইল গ্রামের আলোচিত ইকবাল হোসেন হত্যা মামলার দুই আসামীকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে কসবা থানা পুলিশ। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৪ ফেব্রুয়ারি কসবা থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।

মামলার প্রধান আসামি আনোয়ার হোসেন (৪৫), পিতা: মৃত আ. হাকিম এবং ফয়সাল (২২), পিতা: মুজিবুর রহমান—উভয়েই শিমরাইল মধ্যপাড়ার বাসিন্দা।পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সিলেট নীলাদ্রি লেক এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পরে আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার-এ প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ নাজনীন সুলতানার ভূয়সী প্রশংসা করছেন সচেতন মহল।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিমরাইল গ্রামের বাসিন্দা ইকবাল হোসেন হত্যার পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়। ঘটনার পরপরই কসবা থানা পুলিশ তদন্তে নামে এবং তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে আসামীদের অবস্থান শনাক্ত করে। প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধানের মাধ্যমে সিলেট এলাকায় তাদের অবস্থান নিশ্চিত করে একটি বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে দুইজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। বর্তমানে তারা বিচারাধীন অবস্থায় জেল হাজতে রয়েছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলেন, “দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামীদের গ্রেফতার করা কসবা থানার পেশাদারিত্বের প্রমাণ। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে কসবা থানা পুলিশের এমন তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, এ ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক

