ভোটের আগেই আলোচনায় কসবা—কাকাকে উপজেলা চেয়ারম্যান দেখতে বিলবোর্ডে ভাতিজার প্রচার

ছবি-কসবা টিভি ও ফেইসবুক থেকে সংগৃহীত।
: খ.ম.হারুনুর রশীদ ঢালী:
কসবা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মুহাম্মদ ইলিয়াসকে সমর্থন জানিয়ে ব্যতিক্রমী প্রচারণা, সচেতন মহলে আলোচনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন এক ব্যতিক্রমী প্রচারণা নজর কাড়ছে।

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকা বিএনপি নেতা মুহাম্মদ ইলিয়াস-কে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চেয়ে বিলবোর্ড দিয়ে প্রচার চালিয়েছেন তারই ভাতিজা রাজু আহাম্মদ(যা শিরোনামে ছবি দেওয়া আছে)। এই প্রচারণা ইতোমধ্যে স্থানীয় সচেতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
সম্প্রতি কসবা উপজেলা সুপার মার্কেট কড়িতলায় গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি বিলবোর্ড টানানো হয়, যেখানে লেখা রয়েছে—আসন্ন কসবা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনাব মুহাম্মদ ইলিয়াস কাকাকে কসবা উপজেলার চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চেই। মুহাম্মদ রাজু আহম্মেদ,সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী,কসবা উপজেলা শাখা ছাত্রদল,বিলবোর্ডে ভাতিজা রাজু আহাম্মদের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানানো হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। স্থানীয়দের এই বিল বোর্ডে প্রতিদিন দৃষ্টি কেড়েছে এবংএতে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন ধরনের আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুহাম্মদ ইলিয়াস দীর্ঘদিন ধরে কসবা পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং স্থানীয় রাজনীতিতে তার একটি শক্ত অবস্থান রয়েছে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার নাম আলোচনায় থাকায় এই প্রচারণা আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,মুহাম্মদ ইলিয়াস সাহেবের ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলম আপন ভাইকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় অনেকেই ফেইসবুকে প্রচারে তিনি ঐসব প্রচারে লাইক শিয়ার করে থাকেন। প্রচারে স্থানীয় নির্বাচনে পরিবার বা ঘনিষ্ঠজনদের পক্ষ থেকে সমর্থন জানানো নতুন কিছু নয়। অনেক প্রার্থী ফেইসবুক ও প্রকাশ্যে বিলবোর্ড টানিয়ে এমন প্রচারণা সচরাচর দেখা যায়। ফেইসবুকে বিনা পয়সা প্রচার মাধ্যম ফলে অনেক প্রার্থীদের বিষয়ে স্থানীয় মানুষের মধ্যে কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কসবা উপজেলার সচেতন মহলের কেউ কেউ মনে করছেন, এটি একদিকে যেমন পারিবারিক সমর্থনের প্রকাশ, অন্যদিকে সম্ভাব্য নির্বাচনের আগে জনমত তৈরির একটি কৌশলও হতে পারে। আবার অনেকের মতে, নির্বাচনকে ঘিরে আগাম রাজনৈতিক তৎপরতারই একটি অংশ এই প্রচারণা।

তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন ঘোষণা হয়নি। এরপরও সম্ভাব্য প্রার্থীদের ঘিরে মাঠ পর্যায়ে যে আলোচনা ও সমর্থনের প্রকাশ শুরু হয়েছে, তা কসবার রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সব মিলিয়ে বলা যায়, কসবা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভাতিজার বিলবোর্ড প্রচারণা স্থানীয় রাজনীতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আবার একাধিক প্রার্থী ঘোষণায় প্রদানে জনগণ যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিবেন এমনটাই ভাবছেন ভোটটাররা। স্থানীয় নির্বাচনে আমার ভোট আমি দিবো যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিব।

নির্বাচন ঘনিয়ে এলে এই আলোচনা আরও জোরালো হবে—এমনটাই ধারণা করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
লেখক:খ.ম.হারুনুর রশীদ ঢালী, সভাপতি,কসবা উপজেলা প্রেসক্লাব, সম্পাদক,কসবা টিভি ও অপরাধ পত্র।
নিজস্ব প্রতিবেদক

