কসবা টিভি ডেস্ক:
তালতলা মার্কেটে নিজেদের সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক কিনছেন ক্রেতারা
ঈদের বাজারে বড় বড় বিপণিবিতানেও বিক্রেতারা বলেন ‘বেচাকেনা কম’, খিলগাঁও তালতলা মার্কেটে সেখানে চিত্রটা উল্টো। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওই মার্কেটে ক্রেতারা কিছু না কিছু কিনছেন-ই। শুক্রবার (১৩ মার্চ) ছুটির দিনে মার্কেটের অনেক গলিতে পা ফেলারও জায়গা নেই। জমে উঠেছে ওই মার্কেটের সামনে জনপ্রিয় ফুটপাতগুলোও।
যে বিক্রেতাদের কিছুটা কম বিক্রি, তারাও শুকরিয়া আদায় করে বলছেন, মধ্যবিত্তের মার্কেট, সেই তুলনায় এখানে বিক্রি খুব ভালো। এবার ঈদে তাদের প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে। তারা বলছেন, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিক্রি এ ধারায় থাকলে গত কয়েক বছরের মধ্যে এ বছর সবোর্চ্চ বিক্রি হবে।
তালতলা মার্কেটের সঙ্গী বিপণি বিতানের আমিনুল ইসলাম বলেন, বিক্রি যা হচ্ছে এতে আমরা খুশি। ক্রেতা আছে, শেষ সময়ে বিক্রি আরও বাড়বে প্রত্যাশা করছি।
এ মার্কেটটি তুলনামূলক কমদামের কাপড়ের জন্য জনপ্রিয়। যে কারণে ক্রেতাদের মুখেও সন্তুষ্টি বেশি। দরদাম করে, দেখেশুনে, তুলনামূলক কম দাম দিয়ে ভালো পণ্যটাই কিনতে পারছেন তারা বলে জানিয়ে বাসাবোর মহিমা আক্তার বলেন, এখানে এলে বাজেটের মধ্যে সবকিছু কেনা যায়। অন্য মার্কেটে পণ্যের আকাশপাতাল দাম চাওয়ার প্রবণতা এখানে নেই। যে কারণে সবসময় এ মার্কেটে আসি।
শুক্রবার ছুটির দিনে জুমার নামাজের পরপরই পুরো পরিবার নিয়ে ফরিদুল রেজা এসেছিলেন তালতলা মার্কেটে। তিনি জানালেন, এর আগে তিনি ছেলে-মেয়েদের জন্য কেনাকাটা করেছেন মৌচাক মার্কেটে। এখনো অনেক কেনাকাটা বাকি, অন্য মার্কেটে বেশি ঘুরতে হয়, যে কারণে তালতলা মার্কেটে একছাদের নিচে সবকিছু কিনতে এসেছেন।
ঈদের সময় অন্য বিপণিবিতানে বিক্রেতারা আকাশছোঁয়া দাম চাইলেও এ মার্কেটে তেমনটি দেখা গেলো না। চার বছর ধরে এ মার্কেটে কেনাকাটা করেন মুমিন হোসেন। তিনি বললেন, এখানে বিক্রেতারা বেশি বিক্রি করে, লাভ কম রাখে। দামাদামি করা যায়। আর এই মার্কেট হলো গরিবের আরামের মার্কেট। শোরুমে তো আমাদের সবার যাওয়ার সামর্থ্য নেই।