সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সচেতনতা ও আইনি প্রতিরোধ

ছবি-সংগৃহীত
সত্যবাক :
আজকের ডিজিটাল যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষের জীবন ও মতপ্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও এটি অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবেও ব্যবহৃত হচ্ছে। সম্প্রতি দেখা গেছে, কিছু ব্যক্তি বা গ্রুপ স্বার্থের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই অন্যের মানহানি, অপবাদ এবং সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছেন।

কিছু “মুখোশধারী” বা “কিড” নামক ব্যক্তি মিথ্যা খবর বা নিউজ ভাইরাল করার মাধ্যমে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করেন। এতে নির্দোষ মানুষদের মানসিক ও সামাজিক ক্ষতি ঘটে। তবে সৎ ও ন্যায়পরায়ণ মানুষদের জন্য আশার বার্তা হলো, মহান আল্লাহর সহায়তা এবং সমাজের ভালো মানুষের প্রেরণায় জীবনে স্থির থাকা সম্ভব।

আইন অনুযায়ী, যিনি মিথ্যা অপপ্রচার বা মানহানি করেন, তাকে প্রমাণ সহ আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। যথাযথ প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যিনি অন্যকে অপমানিত করছেন, আইন অনুযায়ী তাকে মামলা মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হতে হয়। এ ধরনের কার্যকলাপের জন্য ক্ষতিপূরণও ধার্য হতে পারে, যা কখনো কখনো কোটি টাকারও বেশি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিউজ প্রচারসহ শেয়ার করার আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা অপরিহার্য। কেবল ভিউ বা জনপ্রিয়তার জন্য মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা নৈতিক ও আইনিভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। যারা সতর্ক থাকবেন এবং তথ্যভিত্তিক নিউজ প্রচার করবেন, তারাই সমাজে সত্য এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখবেন।

ফলে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের সময় সতর্কতা, তথ্য যাচাই এবং ন্যায়সঙ্গত মনোভাব বজায় রাখাই হলো সচেতন নাগরিকের কর্তব্য। মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাই আমাদের সকলের দায়িত্ব।
নিজস্ব প্রতিবেদক

