ঢাকঢোল নয়, ত্যাগের রাজনীতিতে এগিয়ে শামীমা—তৃণমূলের আস্থার প্রতীক

চাকচিক্য আর প্রচারণার রাজনীতির বাইরে, কর্ম আর ত্যাগ দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক নারী নেত্রী শামিমা আক্তার। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথ পেরিয়ে এখন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা—এই ত্যাগী নেত্রীই হবেন তাদের আশ্রয়স্থল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের মেয়ে শামীমা আক্তার। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এই নেত্রী আজ তৃণমূল বিএনপির ভরসার নাম।
ওয়ার্ড পর্যায় থেকে জেলা পর্যন্ত দলীয় প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে ছিল তার সরব উপস্থিতি। সরকারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ, নেতাকর্মীদের পাশে থাকা—সব মিলিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন আলোচিত এক মুখ।
সরাইল উপজেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি মো. আব্বাস উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর মিয়া বলেন—
“এই অঞ্চলে এখনো দলীয় কোনো এমপি নেই। নেতাকর্মীদের যাওয়ার জায়গা নেই। শামীমা আপাই আমাদের ভরসা। আমরা তাকে মহিলা এমপি হিসেবে দেখতে চাই।”
দলীয় একাধিক সূত্র ও স্থানীয়দের মতে, শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শুরু হওয়া তার রাজনৈতিক পথচলা আজও অব্যাহত রয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে আস্থা রেখে কঠিন সময় পার করেছেন তিনি।
স্থানীয়রা বলছেন,
“সময় এসেছে ত্যাগের মূল্যায়নের। শামীমাকে এমপি করা হলে এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের সেবা নিশ্চিত হবে।”
এ সময় শামিমা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন- শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্ব গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের অকুতোভয় ভাই বোনেরা এবং বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্র জনাব তারেক রহমান এর সম্বৃদ্ধ বাংলাদেম গড়ার লক্ষে নিয়ে কাজ করতে আমি সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি পদে দলীয় মনোনয়ন জমা দিয়েছি। গত ১৭ বছরের আন্দোলন সংগ্রামের পরীক্ষিত সৈনিকদের পদবারে সংসদ হবে দেশ উন্নয়নের সুতিকাগার। আমি প্রেতিটি আন্দোলন কর্মসূচীতে ঢাকা,কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবািড়য়ার প্রতিটি উপজেলায় অংশগ্রহন করেছি। জিয়া পরিষদের নেতৃত্বে মানুষের মাঝে শহীদ জিয়া , বেগম খালেদা জিয়ার কর্মসূচী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে পৌছে দিয়েছি। হামলা মামলা নিযার্তন পুলিশী হয়রানিকোন কিছুই আমাকে আটকাতে পারেনি।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস বিশ্বাস করি মননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান িএয নতুন দিনের সূচনা করেছেন তা অবশ্যই দেশকে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করবে। বিগত মাসে তিনি যেভাবে এদেশের মানুষকে আপন করে নিয়েছেন তা শুধুমাত্র শহদি জিয়াকেই মনে করিয়ে দেয়।
আমি আমার জীবনের শ্রেষ্ট স্বপ্ন পূরনের দ্বারপান্তে। যদি জনাব তারেকে রহমান আমাকে সংরক্ষিত মিহলা আসনের এমপি হিসবে মনোনয়ন দেন তাহলে ৫০ বছরের অবহেলিত সরাইল- আশুগঞ্জের মানুষের দুঃখ দুদর্শার ও বঞ্চনার েইতিহাসকে পাল্টে দিতে চেষ্টা করবো। আমি আমার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সম্মানিত কর্মীবৃন্দ ও সাধারণ জনগনের কাছে দোয়া চাই।
দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং পরীক্ষিত নেতৃত্ব—সব মিলিয়ে শামীমা আক্তার এখন সরাইল-আশুগঞ্জ এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রধান প্রত্যাশা।
এখন দেখার বিষয়, দলীয় হাইকমান্ড তার এই ত্যাগ ও অবদানকে কতটা মূল্যায়ন করে।
ত্যাগ আর কর্মের রাজনীতিতে সামনে এগিয়ে যাওয়া এই নেত্রীকে ঘিরে তৃণমূলের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে। সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলে, সেই প্রত্যাশা কতটা বাস্তবতায় রূপ নেয়—সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।
নিজস্ব প্রতিবেদক

