আকলিমা রশীদ ঢালী :
দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে ছোট ব্যবসা, সহায়তা পেলে বড় হওয়ার স্বপ্ন
ফিচার প্রতিবেদন:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার এক নীরব সংগ্রামের নাম রাশেদা। জীবনের কঠিন বাস্তবতা তাকে থামাতে পারেনি; বরং স্বামীর দীর্ঘদিনের অসুস্থতা তাকে দাঁড় করিয়েছে পরিবারের একমাত্র ভরসা হিসেবে। দুই সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তিনি বেছে নিয়েছেন সৎ পথ—ছোট্ট একটি ব্যবসা।

সকাল থেকে সন্ধ্যা, সীমিত পুঁজি আর অসংখ্য প্রতিবন্ধকতার মাঝেও রাশেদার প্রতিটি দিন কাটে সংগ্রামে। কখনো বিক্রি ভালো, কখনো আবার হতাশা—তবুও হাল ছাড়েন না। কারণ তার কাছে এই লড়াই শুধু জীবিকা নয়, দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ার লড়াই।
রাশেদা বলেন, “অল্প পুঁজিতে যা পারছি করছি। যদি একটু সহযোগিতা পেতাম, ব্যবসাটা বড় করতে পারতাম। তাহলে সন্তানদের ভালোভাবে মানুষ করতে পারতাম।”
স্থানীয়রা জানান, রাশেদা একজন পরিশ্রমী ও সৎ নারী। সমাজের সামান্য সহায়তা তার জীবন বদলে দিতে পারে। তারা মনে করেন, এমন উদ্যোগী নারীদের পাশে দাঁড়ানো মানে একটি পরিবারকে দারিদ্র্য থেকে উত্তরণের সুযোগ করে দেওয়া।

এই গল্প শুধু একজন নারীর নয়, এটি সম্ভাবনার গল্পও। সঠিক সহায়তা, প্র
শিক্ষণ এবং ক্ষুদ্র ঋণের সুযোগ পেলে রাশেদার মতো অনেক নারীই হতে পারেন স্বাবলম্বী।মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে রাষ্ট্র, স্থানীয় প্রশাসন এবং বিত্তবানদের এগিয়ে আসা জরুরি। কারণ রাশেদার স্বপ্ন শুধু নিজের জন্য নয়—তার সন্তানদের জন্য, একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য।

রাশেদার এই সংগ্রাম আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহায্যের হাত বাড়ালেই বদলে যেতে পারে একটি জীবনের গল্প।
লেখক:ডিগ্রী শিক্ষার্থী,বিশেষ প্রতিবেদক অপরাধ পত্র,চ্যানেল ২৬,নিউজ প্রেজেন্টার কসবা টিভি।