ব্রাহ্মণবাড়িয়া হেল্পলাইনকে ঘিরে চাঁদাবাজির অভিযোগ (পর্ব ০১)

দেলোয়ার হোসাইন মাহদী প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় “ব্রাহ্মণবাড়িয়া হেল্পলাইন” নামের একটি সামাজিক সংগঠনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগে প্রশাসন বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন এক ব্যবসায়ী। অভিযোগটি ঘিরে জনসাধারণের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোবাইল সার্ভিসিং ব্যবসায়ী মো. জুনায়েদ মিয়া দাবি করেন, সম্প্রতি এক ব্যক্তি তার দোকানে একটি মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ৩ হাজার টাকা নেয়। পরবর্তীতে ওই ব্যক্তি কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে দোকানে এসে তাকে মিথ্যা অভিযোগে জড়ানোর চেষ্টা করে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্তরা তাকে ‘চোর’ বলে অপবাদ দেয় এবং ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে তারা তার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করলে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।
ভুক্তভোগী জুনায়েদ মিয়া বলেন, আমি সরল বিশ্বাসে টাকা দিয়েছিলাম। পরে তারা পরিকল্পিতভাবে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে এবং মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। এখন আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, কথিত “ব্রাহ্মণবাড়িয়া হেল্পলাইন” নামের একটি ফেসবুকভিত্তিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন ব্যক্তি এই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এদের মধ্যে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা গোলাম কিবরিয়া ও রবিন সহ কিছু সহযোগীর কথা উঠে এসেছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা গোলাম কিবরিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন একটি মহল প্রতিহিংসার বষত আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সামাজিক সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কেউ যদি অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ায়, তবে তা সমাজের জন্য উদ্বেগজনক। তারা বিষয়টির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক

