চিকিৎসক, শিক্ষিত ও নীরব প্রেরণার প্রতীক: জুবাইদা রহমান

ছবি-সংগৃহীত
ফারজানা রশীদ ঢালী:
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেক পরিচিত মুখ থাকলেও কিছু মানুষ রয়েছেন, যারা সরাসরি রাজনীতির মঞ্চে সক্রিয় না থেকেও ব্যক্তিত্ব, শিক্ষা ও জীবনাচরণের মাধ্যমে মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকেন। তেমনই একটি নাম জুবাইদা রহমান। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সহধর্মিণী এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-র পুত্রবধূ।
শিক্ষিত, মার্জিত ও নীরব ব্যক্তিত্বের জন্য পরিচিত জুবাইদা রহমান একজন পেশাজীবী চিকিৎসক। চিকিৎসা শিক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের মাধ্যমে তিনি নিজেকে আলাদা পরিচয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হয়েও তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত জীবন ও পেশাগত পরিচয়কে গুরুত্ব দিয়ে চলেছেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে “ফার্স্ট লেডি” শব্দটি সাধারণত রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। তবে দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় কোনো নেতার জনপ্রিয়তা ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করেও জনমনে নানা আলোচনা তৈরি হয়। সেই আলোচনায় অনেকেই জুবাইদা রহমানকে সম্ভাব্য “ফার্স্ট লেডি” হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে শিক্ষিত ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির নারীদের উপস্থিতি সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয়। জুবাইদা রহমানও সেই উদাহরণগুলোর একটি। তিনি বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকেও ব্যক্তিত্ব ও পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণে আলোচনায় থেকেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা বিভাজনের পরিবর্তে শিক্ষাগত যোগ্যতা, সামাজিক অবদান ও মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। একজন চিকিৎসক ও শিক্ষিত নারী হিসেবে জুবাইদা রহমানের পরিচয় তরুণ প্রজন্মের কাছেও একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের ইতিহাস দীর্ঘ। খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা-র মতো নেত্রীরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরিচিত মুখ। সেই ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক পরিবারের নারীদের ভূমিকা ও পরিচিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহও সবসময়ই ছিল।
নীরবতা, শিক্ষা ও ব্যক্তিত্ব— এই তিন গুণেই আলাদা পরিচয় গড়ে তুলেছেন জুবাইদা রহমান। আর সে কারণেই রাজনৈতিক পরিমণ্ডলের বাইরে সাধারণ মানুষের কাছেও তিনি একজন আলোচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব।
লেখক: ফারজানা রশীদ ঢালী, অপরাধ পত্র বিশেষ প্রতিবেদক ও নিউজ প্রেজেন্টার কসবা টিভি।
নিজস্ব প্রতিবেদক

