ঢাকা কেন্দ্রীয় কমিটিতে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত-গণমানুষের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার

১০ই ডিসেম্বর যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর তাৎপর্য নিয়ে ঢাকার কেন্দ্রীয় কমিটিতে উদযাপিত হলো *বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৫*। মানবাধিকার রক্ষার মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমাজে অবিচার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা নিশ্চিত করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিট পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ঢাকার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমবেত হতে থাকেন।

মানবাধিকার রক্ষাকে শক্তিশালী করা, সাধারণ মানুষের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এই অনুষ্ঠানে। পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল ব্যানার, পোস্টার, র্যালি এবং মানবাধিকারের বিভিন্ন মূলমন্ত্র প্রদর্শন।

বিশাল আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন—কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান: কামরুল ইসলাম,মহাসচিব:* দিলীপ কুমার পাল,সাংগঠনিক সম্পাদক* শামীম হোসাইন।
তাঁরা মানবাধিকার রক্ষায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, কার্যক্রম বিস্তার ও সাধারণ জনগণের অধিকার রক্ষায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।

জেলার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ,অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন— ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বিজয়ন্নগর উপজেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক,আখাউড়া উপজেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক
এ ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা মানবাধিকার কার্যক্রমকে আরও তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মতবিনিময় করেন।

আলোচনা সভায় বক্তাদের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য সভায় বক্তারা বলেন—
“বিশ্ব মানবাধিকার দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—মানুষের সম্মান, স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই প্রকৃত মানবতার পরিচয়। যেখানে অন্যায়, সেখানেই মানবাধিকার সংগঠনের অবস্থান হবে দৃঢ় ও বলিষ্ঠ।”

তাঁরা আরও বলেন “সমাজে মাদক বিস্তার, চোরাচালান, ঘুষ, দুর্নীতি, সামাজিক বৈষম্য, দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড যেখানেই দেখা যাবে—সেখানে মানবাধিকার সংগঠনের সদস্যরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে।”

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রতিটি সদস্যকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। বক্তারা জনসাধারণকে সচেতন করার জন্য দীর্ঘমেয়াদী প্রচারণা, কর্মশালা, প্রচারপত্র বিতরণ, মিডিয়া ক্যাম্পেইনসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।

মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকার-সভা শেষে সংগঠনের সব সদস্য এক সুরে ঘোষণা করেন—
* মানবাধিকারের ছায়াতলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করা হবে
* যার অধিকার লঙ্ঘিত হবে, সেখানে মানবাধিকার পাশে দাঁড়াবে
* অন্যায়, অবিচার, অত্যাচার, নির্যাতন ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে
* মাদক, চোরাচালান, ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে

*নীরবতা পালন ও বিশেষ দোয়া* মানবাধিকার লঙ্ঘনে নিহত, নিপীড়িত ও বন্দী সকল মানুষের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি ও মানবাধিকারের উন্নয়ন কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালিত হয়।
বিশেষ প্রতিবেদক জাহাঙ্গীর আলম,কসবা টিভি

নিজস্ব প্রতিবেদক

