জনগণের কণ্ঠস্বর সংসদে: কসবা-আখাউড়ার উন্নয়নে এমপি মুশফিকুর রহমানের সক্রিয়তা-সঠিক তথ্য তুলে ধরা দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের কাজ

ছবি-সংগৃহীত
ফারজানা রশীদ ঢালী:
প্রিয় পাঠক
একজন জনপ্রতিনিধি যেমন জনগণের কথা সংসদে তুলে ধরেন, তেমনি একজন লেখক ও সাংবাদিকের দায়িত্ব হচ্ছে সেই জনগণের কথাই নির্ভুলভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এখানে কে কার পক্ষে বা বিপক্ষে—সেটি মুখ্য নয়; মূল বিষয় হলো সত্য ও সঠিক তথ্য তুলে ধরা, যা একটি দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের প্রধান কাজ।


কসবা টিভিতে প্রচারিত কিছু অংশের নিউজের শিরোনাম
মানুষের ভিন্ন মত, পছন্দ-অপছন্দ থাকতেই পারে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিবেকবান হলে সত্যকে আড়াল করা বা অসত্যকে প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ নেই। গণমাধ্যম কখনোই কারও প্রতিপক্ষ নয়; বরং এটি সমাজের দর্পণ। তবে কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে গণমাধ্যমকে প্রতিপক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করতে চায়, সেটি তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি—বাস্তবতার সঙ্গে যার মিল নাও থাকতে পারে। এখন মূল লেখায় আসি।

একটি জনপদের উন্নয়ন কেবল অবকাঠামো দিয়ে নয়, বরং মানুষের কণ্ঠস্বর কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে তার ওপরই নির্ভর করে। যখন সেই কণ্ঠস্বর জাতীয় সংসদের মতো সর্বোচ্চ মঞ্চে প্রতিধ্বনিত হয়, তখনই জন্ম নেয় আশার নতুন দিগন্ত। কসবা-আখাউড়ার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশাগুলো আজ সেই জায়গাতেই পৌঁছাতে শুরু করেছে।

কসবা টিভিতে প্রচারিত সাম্প্রতিক কয়েকটি সংবাদ শিরোনামই যেন স্পষ্ট করে দেয়—এলাকার মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, দীর্ঘদিনের দাবি এবং উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তাগুলো এখন জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্ব পাচ্ছে। আর এই বিষয়গুলো সংসদে তুলে ধরে আলোচনায় এনেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান।

“কসবায় রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন বিরতি: জনদাবির প্রতিফলন সংসদে”—এই শিরোনামটি কেবল একটি সংবাদ নয়, বরং বহুদিনের ভোগান্তির প্রতিচ্ছবি। কসবা রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন না থামায় প্রতিদিন হাজারো মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হয়। বিশেষ করে সকালে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামমুখী যাত্রীদের জন্য কোনো ট্রেন না থাকাটা দীর্ঘদিনের সমস্যা। এই বাস্তবতাকে সংসদে তুলে ধরে এমপি মুশফিকুর রহমান জনগণের পাশে দাঁড়ানোর প্রমাণ দিয়েছেন।

একইসাথে “মানুষের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা বুকে নিয়ে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে এমপি মুশফিকুর রহমান”—এই শিরোনামটি তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি শুধু বক্তব্যই দেননি, বরং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ফোরামে উপস্থাপন করেছেন।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম—“প্রথম দিন সংসদে গিয়ে কসবা-আখাউড়ার মানুষের কথা বলবেন”—এটি প্রমাণ করে, তিনি ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার সাধারণ মানুষের সমস্যাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। একজন নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে জনগণের প্রত্যাশা থাকে এমনই, যা তিনি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে নিচ্ছেন।

এছাড়া “কসবা-আখাউড়ায় উন্নয়ন ও জনস্বার্থে মন্ত্রণালয়-প্রশাসনে ডিও লেটার, দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ”—এই সংবাদটি তার প্রশাসনিক তৎপরতার দিকটিও তুলে ধরে। শুধু সংসদে বক্তব্য দিয়েই নয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি ধারাবাহিকভাবে কাজ করছেন।

সচেতন মহলের মতে, একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যই জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি। তার মাধ্যমেই স্থানীয় সমস্যাগুলো জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্ব পায় এবং সমাধানের পথ তৈরি হয়। এই ক্ষেত্রে এমপি মুশফিকুর রহমানের ভূমিকা ইতিবাচক ও সময়োপযোগী বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।

কসবা-আখাউড়ার মানুষের প্রত্যাশা—রেল যোগাযোগের উন্নয়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন। সেই লক্ষ্যেই ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এমপি মুশফিকুর রহমান। তার এই প্রচেষ্টা বাস্তবায়িত হলে কসবা-আখাউড়া অঞ্চল একটি আধুনিক ও সম্ভাবনাময় জনপদে পরিণত হবে—এমনটাই আশা সবার।

লেখক: দি মনিং গ্লোরি,কসবা উপজেলা প্রতিনিধি,নিউজ প্রেজেন্টার কসবা টিভি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

