বয়স নয়, সততাই মূলধন— কসবা–আখাউড়ায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে মুশফিকুর রহমান

খ. ম. হারুনুর রশীদ ঢালী:
কসবা–আখাউড়া রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রতিদিনই নতুন গল্প যোগ হয়। তবে কিছু গল্প মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী হয়ে থাকে— ঠিক সেখানেই আলাদা করে দেখা যায় বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রাপ্ত মুশফিকুর রহমানকে।

রাজনীতিতে বয়স কখনোই বড় বিষয় নয়; এখানে বড় বিষয় সততা, মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং জনসেবার আন্তরিকতা। আর সেই গুণগুলো নিয়েই তিনি আজ কসবা–আখাউড়ার মানুষের মাঝে এক বিশ্বস্ত ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

মুশফিকুর রহমানের রাজনৈতিক যাত্রা দীর্ঘদিনের। মাঠে-ময়দানে সক্রিয় উপস্থিতি, মানুষের দুঃখ–কষ্টে পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার উন্নয়নে তার ভূমিকা তাকে স্বাভাবিকভাবেই জনগণের কাছে ‘যোগ্য ব্যক্তি’ হিসেবে পরিচিত করেছে। নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটার— বহু মানুষই বলেন, “মুশফিক ভাইকে যারা কাছ থেকে দেখেছেন, তারা জানেন— তার রাজনীতির চালিকাশক্তি সততা।”

মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া নেতা–যে কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রমে তিনি অংশ নিলেই দেখা যায় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি। তরুণদের কাছে তিনি অনুপ্রেরণার নাম; প্রবীণদের কাছে তিনি ভরসার প্রতীক। নিজের ব্যক্তিগত আচরণ, শালীনতা এবং পরিশীলিত রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে কসবা–আখাউড়া অঞ্চলে এক ধরণের শান্ত, স্থিতিশীল নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি তৈরি করেছেন।

স্বচ্ছ রাজনীতির বার্তা–বর্তমান সময়ে যখন রাজনীতিতে বিশ্বাসযোগ্যতা একটি বড় প্রশ্ন, সেখানে মুশফিকুর রহমান স্বচ্ছতা ও নীতিনিষ্ঠার ওপর জোর দেন। এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, অবকাঠামো এবং কর্মসংস্থান নিয়ে তার সুস্পষ্ট চিন্তা— যা যে কারও কাছে দৃশ্যমান।

বয়স নয়, কর্মই পরিচয়–অনেকেই বলেন— তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো জনগণের সাথে আসল সম্পর্ক। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি মানুষের প্রতি সম্মান, স্নেহ এবং শ্রদ্ধা তাকে আরও কাছে টেনে এনেছে সবার। বয়স বাড়লেও তার শক্তি, কর্মনিষ্ঠা ও প্রচারণার গতি দেখে অনেকেই অবাক হন।

শেষ কথা–কসবা–আখাউড়ার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মুশফিকুর রহমান এখন এক নির্ভরযোগ্য নাম। যোগ্যতা, সততা ও মানবিকতা— এই তিন শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন মানুষের মঙ্গল ও অঞ্চলের উন্নয়নের দায়িত্ব নিয়ে। রাজনীতিতে বয়স নয়, সততাই যেখানে মূলধন— সেখানে মুশফিকুর রহমানের মতো নেতৃত্বই জনগণের আশা হয়ে ওঠে।

লেখক- সভাপতি কসবা উপজেলা প্রেসক্লাব ও সম্পাদক কসবা টিভি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

