কসবার উন্নয়নে জনবান্ধব প্রশাসক—উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম (প্রতিবেদন এক)

ফাইল ছবি–
………খ.ম.হারুনুর রশীদ ঢালী……
কসবা উপজেলায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনসেবায় নিবেদিত হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম। ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন তিনি।

প্রায় বছরের মধ্যেই তার কর্মতৎপরতা, সততা ও উন্নয়ন ভাবনার কারণে স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি হয়ে উঠেছেন একজন বিশ্বাসযোগ্য জনবান্ধব প্রশাসক।

স্বাক্ষর উন্নয়নে প্রশাসনিক নেতৃত্ব-ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর কসবার সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি ফেরান মো. ছামিউল ইসলাম। বিভিন্ন প্রকল্পের অনুমোদন, বাস্তবায়ন ও তদারকিতে তার দৃঢ় অবস্থান বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয়দের মতে, প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো ধরণের অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ না রেখে তিনি নিজেই তদারকি করেন, যা কসবা উপজেলার উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

বহুমুখী দায়িত্বে সফল প্রশাসক-উএনও পদে থেকে তিনি একই সঙ্গে কসবা পৌরসভার প্রশাসক, উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একাধিক দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করায় শিক্ষা, অবকাঠামো, পৌরসেবা ও স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক কার্যক্রমে ধারাবাহিক উন্নয়ন লক্ষ্য করা যায়।

২০২৫ সালে ধারাবাহিকভাবে জম্ম-মৃত্যু নিবদ্ধনকাযক্রম শতভাগ প্রমাণে জেলা প্রশাসক থেকে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন।কসবা অধিকাংশে রাস্তা খানা-খন্দগুলো ভরাট ও মেরামতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন।তিনি রাতে হতদরিদ্র মানুষের খোঁজখবর নেন পাশাপাশি তিনি অনেক সময় অসহায়দের হাতে উপহার তুলে দিয়েছেন।তিনি কসবা রেলওয়ে স্টেশনে টিকেট কালোবাজারি বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছেন্ ।তিনি অবাধে মোটরযান সগ যানবাহনে শব্দ দুষণে ব্যাপক কাজ করেছেন। কসবার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশদরে মাঝে পোশাক,লাঠি,টচ লাইট সামগ্রী তুলে দিয়েছেন। কসবায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়ার মাধ্যমে সচেতনতা গড়ে তুলেন।

মাদক প্রতিরোধ ও বাজার তদারকিতে কঠোর অবস্থান
মাদক প্রতিরোধকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছেন মো. ছামিউল ইসলাম। নিয়মিত সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড, শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধকরণ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে কসবা উপজেলায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও দৃশ্যমান হয়েছে।

পাশাপাশি বিভিন্ন হাট-বাজারে ভেজালবিরোধী অভিযান,খাল দখল ও পাহাড় কাটা প্রতিরোধসহ অতিরিক্ত দামের নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশগত শৃঙ্খলা রক্ষায় তার উদ্যোগ স্থানীয়দের আস্থা অর্জন করেছে।

পৌর এলাকার সৌন্দর্যবর্ধনে দৃষ্টিনন্দন উদ্যোগ -কসবা পৌরসভা এলাকার প্রবেশমুখ ও উপকণ্ঠে রাস্তার সৌন্দর্যবর্ধনে ফুল গাছ রোপণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ তিনি গ্রহণ করেন। শহরের পরিবেশ উন্নয়ন ও নাগরিকদের মননশীলতা বৃদ্ধিতে এই আয়োজন দৃষ্টিনন্দন উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শিক্ষার মান উন্নয়নে বিশেষ মনোযোগ-ক্ষার্থীদের লেখাপড়া, উপস্থিতি ও শিক্ষার মান বাড়াতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বিভিন্ন পরামর্শমূলক সভায় অংশ নিচ্ছেন ইউএনও। ছাত্র-ছাত্রীদের অনুপ্রাণিত করতে তার প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা অভিভাবকসহ শিক্ষা-সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

উন্নয়ন ও উৎপাদনে অব্যাহত প্রচেষ্টা- সবার চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, উৎপাদনমুখী কর্মসূচি এবং জনসেবার প্রতিটি ধাপে নিজেকে সক্রিয় রেখেছেন মো. ছামিউল ইসলাম। স্থানীয়দের মতে, একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে মানুষের কাছে সহজপ্রাপ্য হওয়া যেমন সৌভাগ্যের বিষয়, তেমনি তা দায়িত্বশীলতার প্রতীক। আর সেই কাজটি তিনি সফলভাবেই করে যাচ্ছেন।অপর দিকে অফিসার কোয়াটারের সামনের গেইটটি উন্নত মানের করেছেন।

সর্বোপরি, মো. ছামিউল ইসলামের কর্মদক্ষতা, সততা ও জনবান্ধব মনোভাব কসবা উপজেলাকে একটি উন্নয়নমুখী মডেল প্রশাসনিক ইউনিটে পরিণত করার পথে এগিয়ে নিচ্ছে—এমনই অভিমত সচেতন নাগরিকদের। চলমান।
লেখক: সভাপতি কসবা উপজেলা প্রেসক্লাব ও সম্পাদক,কসবা টিভি।
নিজস্ব প্রতিবেদক

